April 12, 2026, 10:39 pm

সংবাদ শিরোনাম
রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ

ঢাকা- সিলেট মহা সড়কের কাজ ৩০ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প ২০২৫ সালে শেষের শেষ হবে

বুলবুল আহমেদ, নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:-

mostbet

তিন বছরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন প্রকল্পের কাজ হয়েছে ১০ শতাংশ। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশের ২১ কিলোমিটার কাজের ৯ শতাংশ শেষ হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ৩০ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। হিসাবে আর এক বছর আছে। এই সময়ের মধ্যে ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হবে না বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। সড়কের কাজ কবে শেষ হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে। ২০২৮ সালে কাজ শেষ হওয়ার আশা তাদের।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর সড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ২০২৫ সালের মধ্যে ঢাকার কাঁচপুর থেকে সিলেট পর্যন্ত ২০৯ কিলোমিটার ছয় লেন এবং সিলেট থেকে তামাবিল পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার চার লেন দৃশ্যমান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বারবার নকশা পরিবর্তনসহ নানা জটিলতার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে প্রকল্পটি। প্রথমে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কটি চার-লেন করার কথা ছিল। পরে ঢাকা-সিলেট ছয় লেন এবং সিলেট-তামাবিল সড়ক চার লেনের প্রকল্প চূড়ান্ত হয়। জমি অধিগ্রহণ ও ঠিকাদার নিয়োগ ছাড়াই ২০২১ সালে সড়কটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

কয়েক মাস পর কাজ শুরু হয়। উপ-আঞ্চলিক যোগাযোগ বিশেষ করে ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান ও চীনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ কেন্দ্রবিন্দুতে। এসব বিবেচনায় প্রকল্পটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলাবাসীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ধীরগতির যান চলাচলের জন্য মূল সড়কের উভয় পাশে ৫. ৫ মিটার প্রশস্ত সড়ক ছাড়াও ৬৬টি সেতু, ৩০৫টি কালভার্ট, ৭টি ফ্লাইওভার-ওভারপাস ও ছয়টি রেলওয়ে ওভারপাস থাকবে। এর মধ্যে ঢাকা-সিলেট অংশের ১৩টি প্যাকেজের টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ছয় লেনের সিলেট-তামাবিল সড়কের প্রায় ৬০ কিলোমিটার কাজের ৩টি প্যাকেজের মধ্যে একটি শেষ হয়ে অন্যটির কাজ শুরু হয়েছে।

ঢাকা-সিলেটের ২০৯ কিলোমিটারের মধ্যে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ১২১ কিলোমিটারের জমি এখনও অধিগ্রহণ হয়নি। সব মিলিয়ে প্রকল্পের কাজ ১০ শতাংশ শেষ হয়েছে । এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর ৭৫ ভাগ অর্থ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাকি টাকা সরকার দেবে। এ কাজ শেষ হতে সময় লাগবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত। এ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে জীবনযাত্রার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যেও আরো বেশী করে গতি আসবে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর